পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সেই তো আমি

ছবি
০৩/০৫/২০২৪ সেই তো আমি সমাজ জুড়ে সেই তো আমির বাহার সেই তো আমি ভুবন ঘুরে দন্দ্ব দ্বিধার পাহাড়। আমার জ্ঞানের ভাবটা দামি দশের সেরা অহংকার আমার ঢাক বাজাই আমিই খুলে জ্ঞানের ভাঁড়ার। চালাক অতি আমার কাছে দুনিয়া আমারই হাতে স্বাধিকারে গণতন্ত্র আছে ভাবনাতে কে মাতে! সেই তো আমি পূজার ছলে চক্ষু মুদে চাইছি সুখ, বিষয় আশয় বাহুবলে সবার সেরা আমার মুখ। সেই তো আমি জয়ের ধারক পরাজয় রাখি দূরে, সেই তো আমি ধ্বংস বাহক চেতনায় বড় কুঁড়ে। সেই তো আমি কপাল পোড়া সেই তো আমি সংসারী সেই তো চলন অহম মোড়া সেই তো কপটাচারী!

স্বার্থকামী

ছবি
প্রবল তাপে হচ্ছে সবল ধৈর্যটা যাক কেটে যাক ক্ষুদ্র মনের বিষন্নতা, মানিয়ে নিতে শিখছি ভারী কষ্টকে উদাস হাওয়ায় নেই কোনো আজ মিষ্টতা। নীল আকাশে মেঘ জমে না অতঃপর বুঝতে পারি কোন দোষেতে কি কারণ! বৃষ্টি কেন থমকে আছে গগন পারে ঝলসায় তাপ রাতের বেলায় নিদ্ হরণ। আমরা শুধু হতাশ হৃদে ভাবতে বসি কাটাই যে কাল আবোল তাবোল কর্মে দু হাত তুলে অসীম নীলে আরাম খুঁজি গাছ মুড়িয়ে কষ্ট তো নেই মর্মে! অরুণ আলো অস্ত গেছে জ্ঞানের ভাঁড়ে বাসের জন্য বনভূমির বংশ নাশি, শ্বাস দেবে যে রক্ত মাংসের হৃদয় জুড়ে তাদের প্রাণে কুঠার দিয়ে আঘাত কষি। এই না হলে বোধের সেরা মানুষ জাতি এই না হলে স্বার্থকামী প্রাণীর দল, এই না হলে কালের ধ্বংসে সাক্ষী হয় পরের কাঁধে দোষ চাপিয়ে বাঁচব বল?

এ কেমন স্বাধীনতা

ছবি
জন্মতো এ জীবন যোগে মাতার গর্ভাশয়ে আদর ভরা ভিতের গড়ন পিতার আশ্রয়ে। বেড়ে ওঠার হাতছানি দেয় হামাগুড়ি পা পরতে-পরতে হাঁটতে শেখা ধুলায় ভরে গা। গায়ে পায়ে ব্যথা নিয়ে খুঁজতে থাকা কোল কোল দিতে ঐ মামা মাসি বাঁধায় গন্ডগোল। রাত শেষে হয় দিনের আলো নয়ন খোঁজে মাঠ এক ছুটেতে মন ছুঁতে চায় আগামীর চৌকাঠ। হাঁটতে শিখেই স্বাধীন চলায় মায়ের শাসন জারি টলমলে পা, চোখ রাঙানি, স্বাধীন ছুটে আড়ি। শুনবো যেটা শিখব সেটা অবুঝ মনের জানা গুরুজনে পাঠ যে শেখায় স্বাধীন বলায় মানা। শরীর যে চায় শক্তি জোগান করতে উদর পূর্তি গড়তে স্বাস্থ্য না চাওয়ায় ও থাকতে হবে স্ফূর্তি। জগৎ দেখি ঋতুর অধীন মেঘ থেকে হয় বৃষ্টি ঘাম ঝরা দিন, বৃষ্টি সকাল, সূর্য দ্বারাই সৃষ্টি। চলার পথে নজরপাতে শরীর মনে ক্লান্তি স্ববশ মনের অস্থি জুড়ে ধুলোর স্বাধীন ভ্রান্তি! তবুও জমাই আয়ের টাকা স্বাধীনতা কিনতে খাতা ভরে শব্দ সাজাই দোষ কি 'কবি' মানতে! স্বাধীন সমাজ স্বাধীন ঘরে স্বাধীন বসবাস স্বাধীন হাওয়ার ঝোঁকা এলে হারাই স্বাধীন আশ। স্বাধীন জোরে ফুলিয়ে পেশি উড়াই স্বাধীনতা অহম জালে পতন জীবন এ যে গল্প গাঁথা। স্বাধীন স্বভাব মিথ্যে মোহে বসত করে ...

স্বপ্ন জয়

ছবি
  স্বপ্ন যদি এগিয়ে থেকে দেখো টাইম মেশিনে চড়তে কেন হবে? ভবি তোমার সূর্যালোকের সম আঁধার জীবন আলোকে ভরাবে।  আজকে তোমার বয়স ধরো ষোলো  সপ্ন তোমার দেশের হিতে কাজ রাষ্ট্র বিজ্ঞান পূজিত হলে প্রাণে দেশবন্ধু রূপে সমাজে করবে বিরাজ।  তবেই ভাবো ছোট ছোট পা ফেলে  চেতনা হবে পাহাড় প্রমাণ বড়ো স্বপ্ন তোমার সত্যির রথে চড়ে ঘুরবে ভূবন নদী সম খরতর।  নিঃস্ব মনস্ প্রাণিত স্বপ্ন স্নানে   নিয়ত করে মানস ধামে বাস সত্যিই স্বপ্ন এমনই মিষ্টি মধুর  দেখার জন্য করে ফেলো অভ্যাস। আমি কিন্তু এখনো স্বপ্ন দেখি  অর্ধশত বয়স করেছি পার  প্রচেষ্টায় যদি চন্দ্র ছোঁয়ার সুখ স্বপ্ন জয়ে কেনো হবো জেরবার!  আমার স্বপ্ন নয়কো আমি তে ভরা আমার স্বপ্ন বিশ্ব মানবতায় জোড়হস্ত জগতের শুভ লাভে স্বপ্ন আমার বরাভয় বারতায়।  স্বপ্নের চাকুরিতে স্বপ্ন অধরা হলে স্বপ্নিল আবেশে সম্পর্ক হয় ভুল মানবাধিকারে নয়ন থাকলে ঝুঁকে মানুষ সে তো অমানুষ সমতুল।  স্বপ্নটা হোক ধরণীর আঁখির মতো  ভালো-মন্দ বাছাবাছি যার কাছে নাই কুসুম হৃদয় প্রেমে অপ্রেমে মাখামাখি বলো স্বপ্ন জয়ে আর কী প্রেরণা চাই?? কর্মের সাথ...

অপারাজেয়

ছবি
প্রকৃতির নিয়মে বয়ে যায় পল  নই মোরা দিশাহীন সমন্বয়ে, লক্ষের সমীপে মনে আছে বল একদিন ফিরবই সর্বজয়ে।  স্বার্থের সংঘাত সকলের মনে যন্ত্রণা বঞ্চনা আছে ও থাকবেই, পাশে থাকা মনমতি অসহায় জনে হৃদয় মানসে বরাভয় জাগবেই।  শুদ্ধ সংস্কারে সাজালে আনন অসুস্থ সমাজের কাটবেই ভয় ফুলেল শোভা পাবে জগৎ কানন।  ঐক্যের আহ্বায়ক পরিচয় ধরি  বাঁচতে বাঁচাতে লড়াই চলুক, সকল সহোদরের মিলিত লক্ষ্যে  জিতবই-নিন্দুক যা খুশি বলুক।

পথদিশারী

ছবি
 হে যোগীন্দ্র, বিশ্ববন্দিত তুমি যে আলোর-পথদিশারী। চরণকমলে, দিলে তুমি ঠাঁই মননে, চিন্তনে, বিবেক উদ্ধারী। কল্পনার কালে, শব্দের জটাজালে  তা তা থৈ নাচে মন, চঞ্চল চিত্ত- লাগাম টানিয়া ধরি, দুরন্ত হৃদয়ের  বাঁধিয়া রাখিতে চাই, জীবনের সত্য অক্ষর ধ্যানে ভোর, নিশীথ যাপনে ভাবের গুলাল মাখি, চেতনার কাননে। অন্তবিহিন আশে, প্রজ্ঞান অভিলাষে মন বাতায়ন খুলি, করুণাধারী।

শিক্ষা গুন

ছবি
শুনবে যত শিখবে তত শিক্ষা শুরুর প্রথম ধাপ, জাগিয়ে চেতন উড়াও কেতন মানুষ হবার নেইকো চাপ। হোক না বোধন প্রাণের শোধন গুরুর পরম শিষ্য হও, দর্শনে তাঁর খুলে মন দ্বার সত্য জ্ঞানের বোঝা বও। সবাই মানুষ ! আছে কি মান-হুঁশ? এই দুনিয়ার সৃষ্টিতে, বোধের মানে জাগাও প্রাণে খুঁজে গুরুর দৃষ্টিতে। প্রেমের ভেলায় মিলন মেলায় মানবতায় সখ্য করো, গুরুর ছায়ে আপন দায়ে সাত্ত্বিকতার যষ্টি ধরো। শ্রুতির শেষে বর্ণে মিশে উজান হলে মনোরথ, ইতিহাসে পাতায় মিশে খুলে যাবে প্রজ্ঞা পথ। গুরুর শিক্ষায় আজানু ভিক্ষায় নাহি কোরো কৃপনতা দোহের মিলনে ভাবানুশীলনে দিও স্বস্তির বারতা আগামী আসরে প্রতিভা বাসরে দৃশ্যত হবে গণ্য, অঘোষিত পলে জয়মাল্য গলে জয়রথ প্রতিপন্ন। দিতে হবে জেনে আদেশ কে মনে হতে হবে আগুয়ান, চাহিদাকে ভুলে বাঁচো মন খুলে গাও শিক্ষার গুন গান

আঁধার হতে পূর্ণ প্রভা

ছবি
  তিমির আঁধার, ঘন তমসার ঘোর বিস্ময় কেন সখা? অনন্ত আবিলতা, এ যে প্রকৃতি সৃষ্টির সাথে বয়ে আনা হরষ, বিষাদ, মায়াময় কালচক্র। কেন তার সমালোচনার ভাগিদার হই, অপ্রিয় সত্যের বৃথা অপলাপ করে, আঁধার মাখি অলস অবসাদে। নিজেকে প্রশ্ন করে হইনাতো কুন্ঠিত! কত শত চিন্তার উদয় অস্ত কালে সমীচীন ভাবনাতে হই কি জাগ্রত? বোধের অগ্নিশিখায় আত্মারে পুড়িয়ে শুদ্ধ স্বত্ত্বা, শুভ ভাবাবেসে মাতি বলো? ললাটের মধ্যস্থতায় প্রাপ্ত জয়ের হাতছানিতে সারা রাত জাগরণের আচ্ছন্নতায় ঘিরে রাখি, আপন আশা- ভরসার মোহপাশে ঘেরা বৃত্তি পথ। লক্ষ্যভ্রষ্ট পথিকের ন্যায় হেঁটে চলা, সুদূরপ্রসারী পথের ভ্রান্ত দিশায়। স্বপ্নিল ভাবাবেগের বিলাস ব্যসনে মগ্ন হয় অপরিণত দর্শন বোধ। তঞ্চকতায় বাজি জিতে তৃপ্ত হৃদয়ে অতৃপ্ত বিষদৃষ্টির আবদ্ধ বন্ধনে, অবোধ আমিত্বের ঝকমকে জৌলুসে বুঝিনা- এ বাহার সহজে ফিকে হয়। অদৃষ্টের পরিহাস খোলা হাওয়ায়  দৃষ্টিগোচর হয় সাদা কালো মনের সনে, কেহ হাসে-কেহ কাঁদে, না ভেবে চকিত ধ্বংস লীলার গূঢ় ইতিকথা। আশঙ্কা প্রাসঙ্গিক, তবু ন্যায়ের স্তম্ভ গুড়িয়ে, অন্তরে অহমিকা প্রতিষ্ঠিত! অহমে আঁধারময় অজ্ঞতাকে ত্যাগ বিনা আলোর প্রকাশ অসম্ভব প্রায়। উষার প্...

শ্রুতি, শ্রদ্ধা, জ্ঞান

ছবি
শ্রুতি যদি আত্মস্থ হয়  সমীপে হাজির কল্পনা  শুদ্ধ সত্ত্বা লেখনী হয়ে সাজায় বোধে আল্পনা  ভাবো যদি তুমিই ব্রহ্ম অপসংস্কৃতি রবে দূরে স্রষ্ঠা নিত্য সহায় হয়ে আত্মজ্ঞানে রবে জুড়ে  শ্রদ্ধা মানেই সুসংকল্প  সুসংস্কৃতির অধিষ্ঠান হবেই হবে আত্মা শুদ্ধ ইষ্টপূরণ বাড়বে মান  গুরু বাণী রতন মেনে ধারণ করো মনমাঝে ইষ্ট রূপে ভজন পূজন ভরসাটা সকাল সাঁঝে জ্ঞান অর্জন সৃজনসম সৃষ্টি আধার পূর্ণ করে অজ্ঞানীর আঁধার মুছে  সমাজের সুস্বাস্থ্য গড়ে।  সৃজনে হোক আত্মপ্রকাশ আত্মচেতনার দর্শনে প্রদর্শন হোক মনোরথ সহায়তায় অশ্রু বর্ষণে।